SSC ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল ও ওবিসি মামলার শুনানি কি হল? আপডেট জেনেনিন

এই মামলাটির উপরেই নির্ভর করছে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর ভবিষ্যৎ। এর আগে চাকরিহারাদের স্কুলে ফেরানোর রক্ষাকবচ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। CBI-এর তদন্তের অগ্রগতির উপর নির্ভর করছে মামলা।

3589
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় আরজিকর

SSC সুপ্রিম কোর্ট: বেড়েই চলছে অপেক্ষা, ফের এসএসসি ২৬ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলা পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে SSC-এর প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি ছিল। তবে এদিনও মামলাটির শুনানি হল না। মামলাটির শুনানি ফের পিছিয়ে গেল। সময়ের অভাবে শুনানি করা যায়নি।

এসএসসি মামলার পাশাপাশি ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল মামলারও শুনানি হলনা। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে মামলা দুটিই ছিল। তবে শুনানি বারেবারে পিছিয়ে যাচ্ছে। বারবার এই ভাবে শুনানির তারিখ পরিবর্তন হওয়ায় হতাশ দুই পক্ষই। এই মামলাটির উপরেই নির্ভর করছে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর ভবিষ্যৎ। এর আগে চাকরিহারাদের স্কুলে ফেরানোর রক্ষাকবচ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। CBI-এর তদন্তের অগ্রগতির উপর নির্ভর করছে মামলা।

OMR, হার্ডডিস্ক নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারবে CBI? কোন বিষয়ের উপর বিবেচনা করা হবে আগেই জানায় আদালত। এই মামলার দিকে তাকিয়ে ছিল চাকরিহারাদের পাশাপাশি বঞ্চিত প্রার্থীরাও। তবে ফের মামলাটি পিছিয়ে যাওয়ায় আশাহত সবাই।




২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের ওই রায়ের ফলে ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়। যদিও পরে সুপ্রিম কোর্ট সেই রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়।

পড়ুন:  বড় খবর: তবে কি এবার হবে SSC উচ্চ প্রাথমিক টেট? এসএসসির কাছে জবাব তলব কলকাতা হাইকোর্টের

এর আগে বেশ কয়েকবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে গেছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি জানান, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর এই মামলা তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সে দিন অগ্রাধিকার দিয়ে এসএসসি (SSC) মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। তবে এদিনও শুনানি হলনা।

পড়ুন:  চাকরি প্রার্থীদের পর্যাপ্ত নম্বর দিয়ে তাঁদের নিয়োগ করা হোক: ফিরদৌস শামিম




প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দেয় হাই কোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের ওই রায়ের ফলে ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য।

পড়ুন:  শিক্ষকদের দাবি মেনে বিএড প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের জন্য এ বার চালু হচ্ছে ‘ব্রিজ কোর্স’, কমিটি গড়ছে কেন্দ্র