BREAKING NEWS: ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল মামলার শুনানি নিয়ে বড় খবর সামনে এল

4826
কলকাতা হাইকোর্ট শিক্ষক নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক: ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলার শুনানি নিয়ে বড় খবর সামনে এল! প্রাথমিকের ৩২,০০০ শিক্ষকের চাকরি বাতিল মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২১ আগস্ট। আজ গুরুত্বপুর্ণ এই মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে।

আজকের শুনানিতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বক্তব্য শেষ হয়েছে। নিজেদের পক্ষে জোরালো বক্তব্য পেশ করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। পরবর্তী শুনানিতে রিট পিটিশনাররা তাঁদের বক্তব্য পেশ করবেন বলে জানা গেছে।

তবে এসএসসির পর প্রাথমিক নিয়োগ মামলাতেও উঠল ‘যোগ্য-অযোগ্য’ প্রসঙ্গ। কারা ‘বিশেষ সুবিধা’ পেয়েছেন, কারা পাননি সেটা কীভাবে আলাদা করব? এদিন শুনানিতে প্রশ্ন করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। আমরা কোনও ‘বিশেষ সুবিধা’ পাইনি বলে দাবি করলেন ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকদের একাংশের আইনজীবী। তখনই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী বলেন যে কারা “বিশেষ সুবিধা” পেয়েছে আর কারা পায়নি সেটা কীভাবে আলাদা করব? একইভাবে এসএসসি মামলা চলাকালীন বিচারপতি দেবাংশু বসাকও বারবার স্কুল সার্ভিস কমিশনকে প্রশ্ন করেছিলেন যে ‘যোগ্য-অযোগ্য’ আলাদা করা যাবে? চূড়ান্ত রায়ে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল যে, চাল আর কাঁকড় আলাদা করা সম্ভব হচ্ছে না বলে পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দিতে বাধ্য হচ্ছে ডিভিশন বেঞ্চ।

এদিন, একজন আইনজীবী যিনি এই ৩২ হাজার চাকরিহারাদের একাংশের হয়ে ছিলেন, তিনি বলেন যে তাঁর যাঁরা মক্কেল রয়েছেন অর্থাৎ যাঁরা চাকরিহারা ব্যক্তি রয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষকরা রয়েছেন, তাঁরা কোনও রকম বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করেননি। অর্থাৎ, তাঁরা যোগ্য প্রার্থী। এক্ষেত্রে তাঁরা বলেন যে, এরমধ্যে দুর্নীতি হয়ে থাকতে পারে, অযোগ্য প্রার্থী থাকতে পারেন, কিন্তু তাঁর যাঁরা মক্কেল রয়েছেন তাঁরা যোগ্য প্রার্থী। সেই সময় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী প্রশ্ন করেন যে, এখানে যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করা কীভাবে সম্ভব হবে? 

পড়ুন:  SSC: ফের হবে কাউন্সেলিং! তৃতীয় দফার কাউন্সেলিং শেষে শিক্ষক নিয়োগে অনুপস্থিত এতজন প্রার্থী

আজ আদালতে শান্তনু সেনের উত্থাপিত OMR শীট সংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এই OMR নিয়ে তিনটি বড় নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছে—২০১৭ সালে প্রায় ৪২,০০০, ২০২১ সালে প্রায় ১৬,৫০০ এবং ২০২২ সালে ১১,৭৬৫ পদে। ফলে এই OMR ইস্যুটি মামলার রায়ে শিক্ষকদের চাকরির ভবিষ্যতের উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পড়ুন:  রাজ্যের বিএড-ডিএলএড প্রতিষ্ঠান বন্ধের মুখে, কেন্দ্রীয় নীতিতে রাজ্যের ১২০০ শিক্ষক-শিক্ষণ কলেজের অস্তিত্ব সংকট